
প্রকাশকাল: ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬, বৃহস্পতিবার
কক্সবাজারের মহেশখালীর ফকিরাঘোনা এলাকায় চুরির অভিযোগে ফয়সালকে খুঁটির সঙ্গে বেঁধে নির্যাতন ও পিটিয়ে হত্যার ঘটনায় ছয়জনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়েছে। মামলায় রিফাতকে ১ নম্বর এবং তার বাবা মাওলানা কেফায়েত উল্লাহকে ২ নম্বর আসামি করা হয়েছে। ১ নম্বর আসামি রিফাত ইতোমধ্যে গ্রেফতার হয়েছেন। অন্য আসামিদের গ্রেফতারে অভি*যান চালাচ্ছে পুলিশ।
মহেশখালীতে আলোচিত ফয়সাল হত্যার ঘটনায় মামলা দায়েরের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন মহেশখালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবদুস সোলতান।
পুলিশ জানায়, মামলায় ছয়জনকে আসামি করা হয়েছে। তাদের মধ্যে রিফাতকে ১ নম্বর এবং তার বাবা মাওলানা কেফায়েত উল্লাহকে ২ নম্বর আসামি করা হয়েছে। মামলার ১ নম্বর আসামি রিফাত বর্তমানে পুলিশের হাতে গ্রেফতার রয়েছেন। বাকি আসামিদের গ্রেফতারে পুলিশ অভিযান চালাচ্ছে বলে জানিয়েছেন ওসি।
এর আগে গত ১৫ সেপ্টেম্বর মহেশখালীর ফকিরাঘোনা এলাকায় ফয়সালকে চুরির অভিযোগে আটক করার ঘটনা ঘটে। স্থানীয়ভাবে প্রায় ৫০০ টাকা চুরির অভিযোগকে কেন্দ্র করে তাকে আটক করা হয়েছিল বলে জানা গেছে।
অভিযোগ রয়েছে, আটকের পর ফয়সালকে একটি খুঁটির সঙ্গে বেঁধে কয়েকজন ব্যক্তি মারধর করেন। একপর্যায়ে তার ওপর ইট রেখে বা ইট দিয়ে পিটানোর ঘটনাও ঘটে বলে বিভিন্ন সূত্রে জানা গেছে। গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসক মৃ*ত ঘোষণা করেন।
ঘটনার একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর বিষয়টি ব্যাপকভাবে আলোচনায় আসে। ভিডিওতে একজন ব্যক্তিকে ঘিরে কয়েকজনের মারধরের দৃশ্য দেখা যায় বলে বিভিন্ন প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।
তবে ফয়সালের বিরুদ্ধে করা চুরির অভিযোগের সত্যতা এবং তাকে নির্যাতনের ঘটনায় প্রত্যেক ব্যক্তির ভূমিকা তদন্তের মাধ্যমে নির্ধারিত হবে। মামলা দায়েরের পর পুলিশ ঘটনার সঙ্গে জড়িত অন্যদের শনাক্ত ও গ্রেফতারে অভি*যান চালাচ্ছে।
মহেশখালী থানার ওসি আবদুস সোলতান জানিয়েছেন, ঘটনায় জড়িত অন্য আসামিদের গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে। তদন্তের অগ্রগতির সঙ্গে সঙ্গে ঘটনার বিস্তারিত তথ্য আরও পরিষ্কার হবে।
শাপলাপুর নিউজের পক্ষ থেকে বলা হচ্ছে, কোনো ব্যক্তি বা পক্ষের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগকে আদালতে প্রমাণিত সত্য হিসেবে বিবেচনা করা উচিত নয়। তদন্ত ও বিচারিক প্রক্রিয়া শেষে অভিযোগের সত্যতা এবং সংশ্লিষ্টদের দায় নির্ধারিত হবে।
Disclaimer
Disclaimer: The information published by Shaplapur News is collected from available sources and is published in good faith for public interest. Some reports may contain allegations, claims or statements made by individuals, witnesses, authorities or other sources. Such allegations or claims are presented as reported and should not be considered as established facts unless verified by competent authorities or determined by a court of law. Shaplapur News does not intend to defame, harass or harm the reputation of any individual, organization or institution. If any information is found to be inaccurate, incomplete or requires correction, Shaplapur News reserves the right to update or correct the report. The publication of an allegation does not constitute a final determination of guilt.
© Shaplapur News | সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত