
প্রকাশকাল: ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, শুক্রবার
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে নিয়ে ফেসবুকে পোস্টের জেরে মামলা, গ্রেফতার ও রিমান্ডের মুখোমুখি হওয়া গাজী সালাউদ্দিন তানভীরকে নিয়ে এবার কথা বলেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) নেতা নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারী। তানভীরের রিমান্ডকালীন সময়ে নির্যাতন ও অজ্ঞাত ইনজেকশন দেওয়ার যে অভিযোগ উঠেছে, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে বিভিন্ন মহলে।
গাজী সালাউদ্দিন তানভীরকে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে নিয়ে ফেসবুকে আপত্তিকর ও মানহানিকর পোস্ট দেওয়ার অভিযোগে দায়ের করা সাইবার সুরক্ষা আইনের মামলায় গ্রেফতার করা হয়। ৫ আগস্ট ঢাকার মিরপুরের মনিপুরীপাড়া এলাকা থেকে তাকে গ্রেফতার করে বগুড়ায় নেওয়া হয়। পরে ১০ আগস্ট বগুড়ার আদালত তার তিন দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন। পুলিশ তার বিরুদ্ধে সাত দিনের রিমান্ডের আবেদন করেছিল।
এর আগে তানভীরের ফেসবুক পোস্ট নিয়ে ব্যাপক বিতর্ক সৃষ্টি হয়। পরবর্তীতে তিনি পোস্টটি মুছে দিয়ে দুঃখ প্রকাশ করেন বলে বিভিন্ন প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। এ ঘটনায় এনসিপির পক্ষ থেকেও তার বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছিল।
তবে মামলা ও রিমান্ডের পরও বিষয়টি নতুন করে আলোচনায় আসে তানভীরের শারীরিক অবস্থাকে কেন্দ্র করে।
তানভীরের অভিযোগ, রিমান্ডে থাকা অবস্থায় তার শরীরে অজ্ঞাত একটি ইনজেকশন পুশ করা হয় এবং তার ওপর শারীরিক নির্যাতন চালানো হয়। পরে তার শরীরের নিচের অংশ অবশ হয়ে যাওয়ার অভিযোগ করেন তিনি। তার আইনজীবীর ভাষ্য অনুযায়ী, তিনি ১৫ আগস্ট স্ট্রোকও করেন।
পরিস্থিতি গুরুতর হওয়ায় কারাগার থেকে মুক্তি পাওয়ার পর তাকে হাসপাতালে নেওয়া হয় বলে তানভীরের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছে।
এদিকে বিষয়টি নিয়ে নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর বক্তব্য নতুন করে আলোচনার জন্ম দিয়েছে। রাষ্ট্রীয় হেফাজতে থাকা কোনো ব্যক্তির ওপর নির্যাতনের অভিযোগ উঠলে সেটি তদন্তের মাধ্যমে পরিষ্কার করা প্রয়োজন—এমন প্রশ্ন সামনে এসেছে।
একজন ব্যক্তির বিরুদ্ধে মামলা থাকলে আইন অনুযায়ী তদন্ত, বিচার এবং প্রমাণের ভিত্তিতে আদালতের সিদ্ধান্ত হওয়ার কথা। একই সঙ্গে হেফাজতে থাকা ব্যক্তির নিরাপত্তা ও চিকিৎসা নিশ্চিত করাও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দায়িত্ব। ফলে তানভীরের অজ্ঞাত ইনজেকশন ও নির্যাতনের অভিযোগের সত্যতা যাচাইয়ে সংশ্লিষ্ট সময়ের মেডিকেল রেকর্ড, চিকিৎসা নথি এবং হেফাজতে থাকা অবস্থার তথ্য গুরুত্বপূর্ণ হতে পারে।
রিমান্ডে তাকে কোনো ইনজেকশন দেওয়া হয়েছিল কি না, হয়ে থাকলে সেটি কী ছিল, কে বা কারা তা প্রয়োগ করেছিলেন এবং রিমান্ডের আগে ও পরে তার শারীরিক অবস্থার কী পরিবর্তন হয়েছিল—এসব প্রশ্নের উত্তর সংশ্লিষ্ট তদন্ত ও মেডিকেল নথি থেকেই স্পষ্ট হওয়ার কথা।
তবে রিমান্ডে নির্যাতন বা অজ্ঞাত ইনজেকশন দেওয়ার অভিযোগের স্বাধীন ও চূড়ান্ত প্রমাণ এই প্রতিবেদনে নিশ্চিত করা হয়নি। অভিযোগের সত্যতা তদন্ত ও চিকিৎসা-সংক্রান্ত নথি যাচাইয়ের মাধ্যমে নির্ধারিত হওয়া প্রয়োজন।
গাজী সালাউদ্দিন তানভীরের বিষয়টি নিয়ে নাসীরুদ্দীন পাটওয়ারীর বক্তব্যের পূর্ণাঙ্গ ভিডিও বা নির্দিষ্ট উদ্ধৃতি পাওয়া গেলে তা পরবর্তী আপডেটে যুক্ত করা হবে।
Disclaimer
Disclaimer: The information published by Shaplapur News is collected from available sources and is published in good faith for public interest. Some reports may contain allegations, claims or statements made by individuals, witnesses, authorities or other sources. Such allegations or claims are presented as reported and should not be considered as established facts unless verified by competent authorities or determined by a court of law. Shaplapur News does not intend to defame, harass or harm the reputation of any individual, organization or institution. If any information is found to be inaccurate, incomplete or requires correction, Shaplapur News reserves the right to update or correct the report. The publication of an allegation does not constitute a final determination of guilt.
© Shaplapur News | সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত


