প্রকাশিত: ১ আগস্ট ২০২৬ | শনিবার
নিজস্ব প্রতিবেদক: কক্সবাজার

বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন (বিটিআরসি)-এর আইন উপদেষ্টা হিসেবে মনোনীত হয়েছেন কক্সবাজারের মহেশখালীর কৃতী সন্তান ব্যারিস্টার আবদুল্লাহ আল মামুন চৌধুরী। রাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ একটি নিয়ন্ত্রক সংস্থায় তাঁর এই নিয়োগে মহেশখালীসহ কক্সবাজারের বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের মধ্যে আনন্দ ও গর্বের অনুভূতি সৃষ্টি হয়েছে।
জানা গেছে, গত বৃহস্পতিবার বিটিআরসির ডেপুটি ডাইরেক্টর মাহবুবুর রহমান স্বাক্ষরিত নিয়োগপত্রের মাধ্যমে তাঁকে আইন উপদেষ্টা হিসেবে মনোনীত করা হয়।
বাংলাদেশের টেলিযোগাযোগ খাতের সর্বোচ্চ নিয়ন্ত্রক সংস্থা হিসেবে বিটিআরসি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। নীতিমালা প্রণয়ন, লাইসেন্সিং, টেলিযোগাযোগ সেবার মান নিশ্চিতকরণ এবং সংশ্লিষ্ট আইনি বিষয়গুলোতে সংস্থাটির দায়িত্ব অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এমন একটি প্রতিষ্ঠানের আইন উপদেষ্টা হিসেবে ব্যারিস্টার আবদুল্লাহ আল মামুন চৌধুরীর নিয়োগকে তাঁর পেশাগত দক্ষতা ও অভিজ্ঞতার স্বীকৃতি হিসেবে দেখছেন সংশ্লিষ্টরা।
এদিকে, তাঁর এই অর্জনে মহেশখালীর বিভিন্ন সামাজিক, রাজনৈতিক ও পেশাজীবী সংগঠনের নেতৃবৃন্দ এবং সাধারণ মানুষ অভিনন্দন জানিয়েছেন। তাদের প্রত্যাশা, নতুন দায়িত্বে তিনি সততা, দক্ষতা ও পেশাদারিত্বের সঙ্গে দায়িত্ব পালন করে প্রতিষ্ঠানটির কার্যক্রমে ইতিবাচক অবদান রাখবেন।
স্থানীয়দের মতে, ব্যারিস্টার আবদুল্লাহ আল মামুন চৌধুরীর এই নিয়োগ শুধু তাঁর ব্যক্তিগত সাফল্য নয়, বরং মহেশখালীর জন্যও একটি গৌরবের বিষয়। রাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ প্রতিষ্ঠানে তাঁর দায়িত্ব পালন ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে অনুপ্রাণিত করবে বলেও তারা মনে করেন।
নতুন দায়িত্ব সম্পর্কে প্রতিক্রিয়ায় ব্যারিস্টার আবদুল্লাহ আল মামুন চৌধুরী বলেন,
“বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশনের মতো একটি গুরুত্বপূর্ণ রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানের আইন উপদেষ্টা হিসেবে দায়িত্ব পালনের সুযোগ পাওয়া আমার জন্য অত্যন্ত সম্মানের। আমি আমার ওপর অর্পিত দায়িত্ব নিষ্ঠা, সততা ও পেশাদারিত্বের সঙ্গে পালনের সর্বোচ্চ চেষ্টা করব। এই দায়িত্ব পালনে মহেশখালীবাসীর দোয়া ও সহযোগিতা কামনা করছি। সবার দোয়া ও ভালোবাসাই আমার পথচলার অনুপ্রেরণা হয়ে থাকবে।”
স্থানীয়দের বিশ্বাস, তাঁর মেধা, অভিজ্ঞতা ও পেশাগত দক্ষতা বিটিআরসির আইনি কার্যক্রমকে আরও শক্তিশালী করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। একই সঙ্গে তাঁর এই সাফল্য মহেশখালীর তরুণ প্রজন্মের জন্যও অনুপ্রেরণার উৎস হয়ে থাকবে।


